- এসএমপি কমিশনারের সাথে মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
- সিলেট-৬: অ্যাড. এমরান চৌধুরীর পক্ষে মাঠে জমিয়ত, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ
- সিলেট মাছিমপুর এলাকায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গণসংযোগ
- সুন্নাহ অনুযায়ী শবেবরাতের ইবাদত
- নির্বাচিত হলে শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো: ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে-খন্দকার মুক্তাদির
- পর্তুগালে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার মুক্তাদিরের সর্মথনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- ঘরে-বাইরে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ-মাওলানা হাবিবুর রহমান
- বিশ্বনাথ পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে কালিগঞ্জ বাজারে জনসভায়-তাহসিনা রুশদীর লুনার
- সিলেট নগরী ৮নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ
- কুলাউড়ায় জামায়াত আমীরের আগমণ উপলক্ষে প্রচার মিছিল
» আজ বিজয়া দশমী-প্রতিমা বিসর্জন
প্রকাশিত: ০২. অক্টোবর. ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
সিলেট বিএম ডেস্ক ::: শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ বিজয়া দশমী আজ বৃহস্পতিবার। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পাঁচ দিনব্যাপী এই শারদ উৎসবের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও একটি বছর। এই দিনেই দেবী মর্ত্য ছেড়ে ফিরে যাবেন স্বামীগৃহ কৈলাসে। তাই মণ্ডপে মণ্ডপে আজ শুধুই বিষাদের ছায়া। উলুধ্বনি, শঙ্খ, ঘণ্টা আর ঢাকঢোলের বাজনায় থাকবে দেবী দুর্গার বিদায়ের সুর।
গত রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেবী দুর্গার আবাহন বা মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দেবী পক্ষের। আর মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। এরপর হাসি-আনন্দ আর পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে কেটে গেছে চার দিন।
বিজয়া দশমীর অন্যতম আয়োজন হল ‘দেবীবরণ’। রীতি অনুযায়ী, যেখানে নারীরা স্বামীর মঙ্গল কামনায় দশমীর দিন সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিয়ে দুর্গাকে সিঁদুর ছোঁয়ান। দেবীর পায়ে সিঁদুর ছোঁয়ানোর পর সেই সিঁদুর প্রথমে সিঁথিতে মাখান, পরে একে অন্যের সিঁথি ও মুখে মাখেন। এই রীতিতে সিঁদুর, পান ও মিষ্টি ব্যবহার করা হয় এবং এটি বিজয়া দশমীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক প্রথা। মুখ রঙিন করে হাসিমুখে দেবীকে বিদায় জানান, যা সিঁদুর খেলা নামে পরিচিত।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী মর্ত্যে এসেছেন গজে (হাতিতে) চেপে। হাতি হচ্ছে জ্ঞান ও সমৃদ্ধির প্রতীক। গজে চড়ে দেবীর আগমনের অর্থ হলো শুভ। মনে করা হয়ে থাকে, দেবী যদি গজে চড়ে মর্ত্যে আসেন তাহলে তিনি সঙ্গে করে সুখ, সমৃদ্ধি নিয়ে আসেন। পৃথিবী হয়ে ওঠে শস্য শ্যামলা। কিন্তু সেই সঙ্গে অতি বর্ষণ বা প্লাবনের আশঙ্কাও দেখা দেবে। আর আজ বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে দেবী মর্ত্য ছাড়বেন দোলায় (পালকী) চড়ে। দোলায় চড়ে মর্ত্য ছাড়লে ভক্তের মড়ক বা মহাবিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হয়।
বুধবার (১ অক্টোবর) মহানবমীতে মন্দির, মণ্ডপে যেন মিলেমিশে গেছে আনন্দ-বেদনা। দেবীর বন্দনায় ছিল ভিন্ন এক আবহ। পূজার উদ্যাপন আর দেবীকে বিদায়ের সুর বেজেছে ভক্তের হৃদয়ে। সকালে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মাধ্যমে শুরু হয় নবমীর আনুষ্ঠানিকতা। পূজা শেষে ভক্তরা দেবীর চরণে অঞ্জলি নিবেদন করেন। মণ্ডপগুলোতে বিকেলের আগপর্যন্ত নবমীর উৎসব ছিল শান্তলয়ের।
সর্বাধিক পঠিত খবর
- পুলিশের জালে আটক ফেঞ্চুগঞ্জের চিহ্নিত ভূমি সন্ত্রাসী
- বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে বিএনপির শতাধিক নেতার
- গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা করেছে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
- সিলেট মহানগর যুবদল নেতা লায়েক আহমদ কে হত্যার হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়রি
- সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিবৃতি – ইশতিয়াক রাজু ছাত্রদলের কেউ নয়।
