- সিলেটে হাম আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু
- ভাতালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে মহানগর জামায়াতের সহমর্মিতা
- কুশিয়ারার তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীনের পথে মাজার ও মসজিদ
- মধ্যরাতে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি
- সাংবাদিক আক্রান্তের ঘটনাসহ সিলেটে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জেলা প্রেসক্লাবের উদ্বেগ
- শ্রীপুরে টাস্কফোর্সের অভিযানে ২৫০০ ঘনফুট পাথর জব্দ
- সিলেট নগরীতে ৬টায় বন্ধ হলো দোকানপাট
- তৃণমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি গ্রাসরুটস’র উদ্যোগে ‘এআই’প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আইসিটি সেমিনার
- কোমলমতি শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সচেতনতা বাড়াতে হবে: সৈয়দ সারোয়ার রেজা
- দাম বাড়ানোর পরও সিলেটে নির্ধারিত মূল্যে মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার
» কুশিয়ারার তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীনের পথে মাজার ও মসজিদ
প্রকাশিত: ০৬. এপ্রিল. ২০২৬ | সোমবার
সিলেট বিএম ডেস্ক ::: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১১ শরিফগঞ্জ ইউনিয়নে নদীতীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে নদী ভাঙনের ফলে অনেকে হারিয়েছেন শেষ সম্ভবল বসতভিটে। নদীর পেটে চলে গেছে অসংখ্য মসজিদ, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ফসলি জমি।
এবার দীর্ঘদিন ধরে ধীরে ধীরে ভাঙনের কবলে উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামের শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) মাজার ও মাজার মসজিদ। শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) মাজার ও মাজার মসজিদের ভাঙন ঠেকাতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরীফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) এর মাজার রয়েছে। মাজারের পাশে রয়েছে মসজিদ। প্রতি বছর মাজারে ভক্তদের আনাগোনা থাকে। নদীতীরবর্তী গ্রামের মানুষের অন্যতম প্রধান সমস্যা নদী ভাঙন৷ প্রতি বছর নদী ভাঙনের কবলে পড়ে নিঃশ্ব হয়ে পড়েন স্থানীয়রা৷ মাজারের পাশে মসজিদে যাওয়া আসার একমাত্র রাস্তাটিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে মাজার ও মসজিদের ভাঙন রোধ করলেও এবার গত ৩/৪ দিন ধরে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।
আরও দেখুন
আরও জানা যায়, নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় হযরত শাহ সৈয়দ শদাই (রঃ) এর মাজারের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে৷ মাজারসহ মসজিদের আশপাশে বড় আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি ভাবে যদি ভাঙন রোধ করা না যায় তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে মাজারসহ মসজিদের একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
এদিকে গত বছরের ২০ জানুয়ারি সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড, গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর পক্ষে সম্মারকলিপি দেওয়া হয়। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে কার্যকরী কোন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সামছুল ইসলাম গেদাই বলেন, মাজার ও মসজিদ রক্ষায় প্রায় ২ মাস আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে একটি বরাদ্দ হয়েছে। কন্ট্রাক্টর কয়েকবার এসে দেখে গেছেন কিন্তু কাজ হচ্ছে না। গতদিনও দুইজন এসেছেন, বলছেন কাজ শুরু হবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। উনারা হয়তো বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে প্রকল্পটি নিতে পারেননি। সম্প্রতি তারা প্রকল্পটি নিয়েছে। এখানে জরুরি ভাবে ৫০ মিটার কাজের জন্য ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তিনি কাজ করবেন না। নতুনভাবে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শুরু করবে।
সর্বাধিক পঠিত খবর
- পুলিশের জালে আটক ফেঞ্চুগঞ্জের চিহ্নিত ভূমি সন্ত্রাসী
- বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে বিএনপির শতাধিক নেতার
- গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা করেছে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
- সিলেট মহানগর যুবদল নেতা লায়েক আহমদ কে হত্যার হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়রি
- সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিবৃতি – ইশতিয়াক রাজু ছাত্রদলের কেউ নয়।
