সর্বশেষ

» কোম্পানীগঞ্জ কৃষক দলের দুই নেতাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়

প্রকাশিত: ১৬. নভেম্বর. ২০২৫ | রবিবার

কোম্পানীগঞ্জ কৃষক দলের দুই নেতাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়

কোম্পানিগন্জ প্রতিনিধি:-

একজন সাদাপাথর চুরির মামলার আসামী হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। আরেকজন সম্প্রতি ধরা পড়লেন ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ। তাছাড়া স্বয়ং সভাপতি ছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কর্মী।

এসব কারণে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষকদল নিয়ে গোটা উপজেলাজুড়ে বইছে এখন সমালোচনার ঝড়। আর এ দুই নেতা হলেন কৃষকদলের সভাপতি আলমগীর ও সহ সাধারণ সম্পাদক জাকির মিয়া।

কোম্পানীগঞ্জের বহুল আলোচিত সমালোচিত আলমগীর । এক সময় তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন কর্মী। মুজিব কোট ছাড়া যিনি চলাফেরা করতেন না। নিত্যদিন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকে জাতীয়তাবাদী ঘরানার নেতাকর্মীদের বিরোধীতায় মাঠ সরব রাখতেন।

এমনকি সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদের সঙ্গেও ছিল তার ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরপরই খোলস পাল্টে ফেলেন এই আলমগীর। হয়ে যান জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মানুষ। বাগিয়ে নেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ পদ।

আর জাকির মিয়াও কোম্পানীগঞ্জে ব্যাপক সমালোচিত এক চরিত্র। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু তবু নানাভাবে প্রভাব খাটিয়ে তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সহকারি সেক্রেটারির পদ বাগিয়ে নেন।

সেই জাকির মিয়াকে গত ১১ নভেম্বর ভোরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে সিলেট মহাগর পুলিশের জালালাবাদ থানার একদল পুলিশ সদস্য। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ঐদিনই আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গত এপ্রিলে অনুমোদিত সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদবীধারী নেতার এমন অপকর্মে কৃষকদলসহ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দলের ভাবমুর্তি রক্ষায় দ্রুত আলমগীর ও জাকির মিয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ ব্যাপারে সিলেট জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব তাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো।

এ ব্যাপারে কথা বলতে আলমগীর এর  মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

আর জাকির মিয়ার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।