- সিলেট কানাইঘাটে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে-ভাই খুন
- জাফলং-জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাটের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার আরিফুল হক চৌধুরীর
- দুঃশাসন অবসানে ব্যবস্থা বদলের জন্য মই মার্কায় ভোট দিন: প্রণব জ্যোতি পাল
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে: মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক
- দেশ পরিচালনার জন্য হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিন-মাহমুদুল হাসান
- সিলেট টুকেরবাজারে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গণসংযোগ
- মুক্তাদীরের ইশতেহার ঘোষণাপত্র-সিলেটের মানুষের স্বপ্ন পূরণের দলিল’
- এসএমপি কমিশনারের সাথে মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
- সিলেট-৬: অ্যাড. এমরান চৌধুরীর পক্ষে মাঠে জমিয়ত, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ
- সিলেট মাছিমপুর এলাকায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গণসংযোগ
» বিএনপিকে ভালোবাসি বলেই রাজনীতিতে এই আত্মত্যাগ-মোঃ শাহীন মিয়া
প্রকাশিত: ২০. ডিসেম্বর. ২০২৫ | শনিবার
সিলেট বিএম ডেস্ক ::: তৎকালীন আওয়ামী সরকার ২০১৫ সালে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফিতে ৭.৫% ভ্যাট আরোপ করে। এর প্রতিবাদে সারাদেশে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামে। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, ক্লাস বর্জন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির সাধারণ ছাত্র/ছাত্রীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে ফেটে পরে। পরবর্তীতে সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি,
, সিলেট নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা আনদোলনে যোগ দিয়ে সিলেট প্রধান প্রধান সড়কগুলো দখল করে নেয়। তখন আমি মো: শাহীন মিয়া লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন ছাত্র সাবেক সহ-সভাপতি ছাত্রদল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রদল সিলেট মহানগর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক পদে ছিলাম। আমার নেতৃত্বে সিলেটের সুরমা টাওয়ার, বন্দর বাজার, কোর্ট পয়েন্ট থেকে রংমহল টাওয়ার পর্যন্ত বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী।
এই আন্দোলনে কয়েকবার মোঃ শাহীনকে গ্রেফতার করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের তুপের মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন সিলেট কতোয়ালী থানার ওসি। সেই তৎকালীন সময়ে ভ্যাট আন্দোলন কে সমর্থন করে শাহীনের সাথে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক রহমান , সেই সাথে দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু, সিলেট মহানগর ছাত্রদল সভাপতি নুরুল সিদ্দিকী খালেদ ও সাবেক ল’ কলেজের ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরীকে। তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিল আমাদের সাথে। ছাত্রলীগ যখন মারমুখি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর, তখন সারাদেশে সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসলে শেখ হাসিনা সরকার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফিতে ৭.৫% ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।
তার পর থেকে শুরু হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে জঙ্গী নাটক মঞ্চায়ন। সারা বাংলাদেশে সামনের সারির নেতৃত্ব দেওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাট আন্দোলনের ছাত্র নেতাদের জঙ্গী তকমা দেওয়া। সারা বাংলাদেশের মতো সিলেটের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটি শাখার কয়েকজন ছাত্রনেতাকে জঙ্গী বলে গ্রেফতার করা হয়। বাকী যে কয়েকজন র্টার্গেট ছিলো তাদের মধ্যে আমি হতভাগাও একজন। আমার সম্পর্কে যে ডিজিএফ কর্মকর্তা তদন্তে ছিলেন তিনি আমার সম্পর্কে যানার জন্য আমার সাথে এমবিএ এডমিশন নেয় লিডিং ইউনিভার্সিটিতে,সেই তদন্ত কর্মকর্তা নাম সাইফুল ইসলাম। আমার কপাল ভালো, আমার বাবা মায়ের দোয়া ও দলীয় পরিচয় বিএনসিসির সাবেক র্সার্জেন্ট থাকার কারনে সেই তৎকালীন ডিজিএফ আই সাইফুলের বাড়ি আমার পাশের উপজেলায় হওয়ায় ও তৎকালীন ডিজিএফআই সিলেটের প্রধান, ময়নামতি রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট কর্নেল
সাইফুল আলম পিএসসির সাথে বিএনসিসিতে থাকাকালিন সু- সম্পর্ক থাকায় বেঁচে যাই। সেই সাথে লিডিং ইউনিভার্সিটির ল’ ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান ও প্রক্টোরিয়াল মেম্বার রাশেদুল ইসলাম, ব্যাবসা শাখার শিক্ষিকা হালিমা বেগম, জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুর রহমান ও সামসুদ্দিন সাকিব স্যারদের কারণে হয়তোবা ডিজিএফ আইয়ের হাত থেকে বেঁছে গিয়েছিলাম জঙ্গী
নাটক থেকে। কিন্তু ছাত্রদলের রাজনীতি করার কারণে সব সময় ছিলাম প্রশাসনের র্টার্গেটে। সিলেটের রাজপথে ছিলাম কখনো মশাল হাতে নিয়ে, কখনো আবার কাফনের কাপড় মাথায় নিয়ে, একটা সময় যখন ১৪৪ ধারা জারি হয় তখন জীবনবাজি রেখে সিলেটের রাজপথে ঝটিকা মিছিল দিয়েছিলাম। এই সব সরকার বিরোধী আন্দোলন যখন খুব তুঙ্গে, তখন প্রশাসন একটা মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্ট করেছিলো, RAB একটা সংবাদ সম্মেলন করেছিলো যে ভাবে হউক এম সি কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি রানা ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আমাকে গ্রেপ্তার করার জন্য। কারণ আমরা প্রত্যেক দিন ঝটিকা মিছিল দিতাম। খালেদা জিয়ার রায়ের দিন আওয়ামী লীগ যখন আনন্দ মিছিল বের করে, তখন সাবেক ছাত্রদল নেতা লিটন আহমেদ ও আমি আওয়ামী লীগের মিছিলে প্রথমে পাথর নিক্ষেপ করি। তার পরে শুরু হয় আওয়ামী লীগের গুলিবর্ষণ, গুলির মুখে দাঁড়িয়ে আমি , লিটন আহমেদ ,মাহবুবুল হক চৌধুরী , নাচন ভাই, মকসুদ ভাই,আব্দুর রউফ , রুনু আহমেদ , আহাদ সুমন, সেলিম আহমেদ, জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামিম, সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ সহ অগণিত নেতাকর্মী সেই আন্দোলন চালিয়ে যাই। আমি আর লিটন আহমেদ কোর্টের দেওয়াল টপকে স্কুলের দেওয়াল দিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করি। আমি তখনও মধ্যবিত্ত সাধারণ পরিবারের একজন ছাত্র। আমার পরিবারের ভাইদের মধ্যে আমি ৬ নাম্বার। আমাদের অনেক বড় পরিবার আমাকে খুব কস্ট করে বাবা ও ভাইয়েরা লেখা পড়ার খরচ যোগাতেন, আমি আমার হাত খরচ দিয়ে রাজনীতি করেছি, মিছিলের ব্যানার ও র্কর্মীদের খরচ যোগানো খুবই কষ্ট ছিলো,
। বিএনপিকে ভালোবাসি বলে রাজনীতিতে আমার এই আত্মত্যাগ।
সর্বশেষ খবর
- সিলেট কানাইঘাটে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে-ভাই খুন
- জাফলং-জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাটের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার আরিফুল হক চৌধুরীর
- দুঃশাসন অবসানে ব্যবস্থা বদলের জন্য মই মার্কায় ভোট দিন: প্রণব জ্যোতি পাল
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে: মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক
- দেশ পরিচালনার জন্য হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিন-মাহমুদুল হাসান
সর্বাধিক পঠিত খবর
- পুলিশের জালে আটক ফেঞ্চুগঞ্জের চিহ্নিত ভূমি সন্ত্রাসী
- বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে বিএনপির শতাধিক নেতার
- গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা করেছে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
- সিলেট মহানগর যুবদল নেতা লায়েক আহমদ কে হত্যার হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়রি
- সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিবৃতি – ইশতিয়াক রাজু ছাত্রদলের কেউ নয়।
এই বিভাগের আরো খবর
- সিলেট কানাইঘাটে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে-ভাই খুন
- জাফলং-জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাটের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার আরিফুল হক চৌধুরীর
- দুঃশাসন অবসানে ব্যবস্থা বদলের জন্য মই মার্কায় ভোট দিন: প্রণব জ্যোতি পাল
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে: মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক
- দেশ পরিচালনার জন্য হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিন-মাহমুদুল হাসান
