- এসএমপি কমিশনারের সাথে মহানগর জামায়াতের মতবিনিময়
- সিলেট-৬: অ্যাড. এমরান চৌধুরীর পক্ষে মাঠে জমিয়ত, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ
- সিলেট মাছিমপুর এলাকায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে গণসংযোগ
- সুন্নাহ অনুযায়ী শবেবরাতের ইবাদত
- নির্বাচিত হলে শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো: ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে-খন্দকার মুক্তাদির
- পর্তুগালে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার মুক্তাদিরের সর্মথনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- ঘরে-বাইরে নারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ-মাওলানা হাবিবুর রহমান
- বিশ্বনাথ পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে কালিগঞ্জ বাজারে জনসভায়-তাহসিনা রুশদীর লুনার
- সিলেট নগরী ৮নং ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরণ
- কুলাউড়ায় জামায়াত আমীরের আগমণ উপলক্ষে প্রচার মিছিল
» শেষ বলের নাটকে সিলেটের অবিশ্বাস্য জয়
প্রকাশিত: ২৭. ডিসেম্বর. ২০২৫ | শনিবার
সিলেট বিএম ডেস্ক ::: ঘরের মাঠে টানা দুই হারের শঙ্কা কাটিয়ে নাটকীয় জয়ে ফিরেছে সিলেট টাইটান্স। নোয়াখালীর পেসার মেহেদী হাসান রানার দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক ও চার উইকেটের ঝড় সত্ত্বেও শেষ বলের উত্তেজনায় ম্যাচ নিজেদের করে নেয় সিলেট।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র ৩৪ রানেই তিন ওপেনার সাজঘরে ফেরেন—সাইম আইয়ুব শূন্য, জাকির হাসান ১৩ ও রনি তালুকদার ৯ রান করে আউট হন। এই ধাক্কার পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও উইকেটকিপার-ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৫০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে সিলেট।
ইমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৩৬ বলেই পূর্ণ করেন হাফ সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৬০ রান করে তিনি বিদায় নিলে ৮৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙে। এরপর আফিফ হোসেন দ্রুত ফিরে গেলে চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর।
শেষদিকে নাটকের মঞ্চ তৈরি করেন মেহেদী হাসান রানা। ১৯তম ওভারে একের পর এক তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে বিপিএলের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। ওই ওভারে আউট হন মিরাজ (৩৭ বলে ৩৩), নাসুম আহমেদ ও খালেদ আহমেদ। একপর্যায়ে ম্যাচ হাতছাড়া হতে বসে সিলেটের।
শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় এক বলে এক রান। সেই চাপের মুহূর্তে ওয়াইড দেন সাব্বির হোসেন, ম্যাচ গড়ায় শেষ বল পর্যন্ত। শেষ বলে এক রান নিয়ে সিলেটকে জয় এনে দেন সালমান ইরশাদ।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালীর শুরুটাও ছিল নড়বড়ে। ৯ রানেই তিন উইকেট হারালেও অধিনায়ক সৈকত আলী ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দলের ইনিংস সামাল দেন। পরে জাকের আলীর সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়ে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন অঙ্কন। ৫১ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন তিনি, জাকের করেন ১৭ বলে ২৯।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে খালেদ আহমেদ চার উইকেট নিয়ে সেরা ছিলেন। তবে শেষ হাসি হেসেছে সিলেটই—রানার হ্যাটট্রিক ছাপিয়ে শেষ বলের রোমাঞ্চে।
সর্বাধিক পঠিত খবর
- পুলিশের জালে আটক ফেঞ্চুগঞ্জের চিহ্নিত ভূমি সন্ত্রাসী
- বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে বিএনপির শতাধিক নেতার
- গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা করেছে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদল
- সিলেট মহানগর যুবদল নেতা লায়েক আহমদ কে হত্যার হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়রি
- সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের বিবৃতি – ইশতিয়াক রাজু ছাত্রদলের কেউ নয়।
